1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
স্কুল আছে, মাঠ নেই—শিশুরা খেলাধুলাহীন বন্দি জীবন - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০১ অপরাহ্ন

স্কুল আছে, মাঠ নেই—শিশুরা খেলাধুলাহীন বন্দি জীবন

  • সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, ২০ জুন, ২০২৫
  • ১৩৬ বার পঠিত
স্কুল আছে, মাঠ নেই

খেলার মাঠহীন স্কুলে শিশুরা হারাচ্ছে শৈশব ও স্বপ্ন!
অনলাইন ডেস্ক

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্যে জানা গেছে, উপজেলার ১৮০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রায় ৬০টির কোনো মাঠই নেই, আর যেগুলো আছে, সেগুলো অপ্রতুল ও ব্যবহারের অনুপযোগী।

স্থানীয় সূত্র জানায়, অধিকাংশ বিদ্যালয় স্থাপিত হয়েছে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায়, যেখানে পর্যাপ্ত সরকারি জমির অভাব দীর্ঘদিনের। পরিকল্পনাহীনভাবে বিদ্যালয় নির্মাণ এবং দখলদারিত্বের কারণে মাঠসংকট এখন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।

শিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, ‘বিদ্যালয়ের জায়গা স্থানীয় এক প্রভাবশালী দখলে রেখেছে, যার কারণে আমরা মাঠ তৈরি করতে পারিনি।’

নবাবনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাহমিনা পারভীন নিপু বলেন, ‘রাস্তার পাশেই আমাদের স্কুল, জায়গার অভাবে কোনো মাঠই নেই। শিক্ষার্থীরা ক্লাস শেষে খেলাধুলা করতে না পেরে হতাশায় ভোগে।’

এক অভিভাবক শামিম আহম্মেদ জয় জানান, ‘মাঠ না থাকায় আমার ছেলে এখন সারাদিন মোবাইল নিয়ে পড়ে থাকে। আগে আমরা খেলতাম, এখনকার বাচ্চারা যেন বন্দি হয়ে গেছে। খেলাধুলার অভাবে ওরা একপ্রকার ভার্চুয়াল জগতে ডুবে যাচ্ছে।’

শিশু বিকাশ ও শিক্ষাবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খেলার মাঠ না থাকলে শিশুদের মধ্যে স্থূলতা, ডিপ্রেশন এবং আচরণগত সমস্যা বাড়ে। দীর্ঘমেয়াদে এটি জাতির মেধা ও শারীরিক সুস্থতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

এ অবস্থায় স্থানীয় সরকার ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে কিছু উদ্যোগ। ষাটনল ইউপি চেয়ারম্যান ফেরদৌস আলম সরকার বলেন, ‘আমরা ইউনিয়ন পরিষদের খালি জায়গাগুলো মাঠ হিসেবে ব্যবহারে উন্মুক্ত করার চেষ্টা করছি। এলাকাবাসীকেও এ ব্যাপারে সহযোগিতা করতে অনুরোধ করছি।’

উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন জানান, ‘এক-তৃতীয়াংশ বিদ্যালয়ে কোনো খেলার জায়গা নেই। আমরা তালিকা করেছি, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ও ইউপি চেয়ারম্যানদের সহযোগিতায় বিকল্প জমি চিহ্নিতের কাজ চলছে। ইতিমধ্যে মাঠ উন্নয়ন প্রকল্পও জমা দেওয়া হয়েছে।’

মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, ‘শিশুদের সুস্থ বিকাশে মাঠ থাকা আবশ্যক। আমরা ইউনিয়নভিত্তিক খালি জায়গা চিহ্নিত করছি যেন বিদ্যালয়গুলো অন্তত সাময়িকভাবে ব্যবহার করতে পারে। ভবিষ্যতে নতুন কোনো স্কুল গড়ার সময় মাঠ রাখার বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।’

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..